All news

শিক্ষিকা ইয়াসমিন আরার পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন

শিক্ষিকা ইয়াসমিন আরার পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন

মরণব্যাধি ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে কঠিন সময় পার করছেন রাজধানীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ইয়াসমিন আরা। ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ জোগাতে যখন তিনি ও তার পরিবার দিশেহারা, ঠিক তখনই তার পাশে দাঁড়িয়েছে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন।

সামাজিক দায়বদ্ধতার অংশ হিসেবে ইয়াসমিন আরার চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। এই সহযোগিতা তার দীর্ঘ চিকিৎসাযাত্রায় যেমন আর্থিক স্বস্তি এনে দিয়েছে, তেমনি অসুস্থতার সঙ্গে লড়াই করে ঘুরে দাঁড়ানোর সাহসও জুগিয়েছে।

দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত ইয়াসমিন আরা শিক্ষার্থী ও সহকর্মীদের কাছে একজন নিবেদিতপ্রাণ ও অনুপ্রেরণাদায়ী শিক্ষক হিসেবে পরিচিত। কিন্তু হঠাৎ ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার পর তার স্বাভাবিক জীবনে নেমে আসে অনিশ্চয়তা। চিকিৎসার ব্যয় বাড়তে থাকায় একপর্যায়ে আর্থিক সংকটেও পড়ে তার পরিবার।

নিজের চিকিৎসার ব্যয় সম্পর্কে ইয়াসমিন আরা বলেন, ‘আমার চিকিৎসায় অনেক টাকা খরচ হয়েছে। একটি ইনজেকশনের দামই ছিল এক লাখ টাকা। আমার ক্যান্সার থার্ড স্টেজে ধরা পড়েছে এবং লিম্ফ নোডেও ছড়িয়ে গেছে। এ কারণে আমাকে ওরাল কেমোথেরাপি নিতে হচ্ছে। এই ওষুধের জন্য প্রতি মাসে প্রায় ৬৫ হাজার টাকা খরচ করতে হয়।’

অসুস্থতার মধ্যেও শিক্ষকতা থেকে দূরে থাকতে চাননি ইয়াসমিন। শারীরিক অসুস্থতা নিয়েই তিনি নিয়মিত ক্লাস নেওয়ার চেষ্টা করেছেন। শিক্ষার্থীদের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাই তাকে কঠিন সময়েও এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা দিয়েছে।

তিনি বলেন, ‘শরীরটা খুব একটা ভালো চলছিল না, তারপরও আমি ক্লাস নিতে যেতাম। স্টুডেন্টরা আমার ক্লাস খুব পছন্দ করে। আমি চাই, শরীরটা আরেকটু ফিট হলে আবার যেন কাজে ফিরতে পারি। বসে থাকতে ভালো লাগে না। শরীরটা সুস্থ হলে আমি আবার কিছু একটা করতে চাই।’

ইয়াসমিন আরার অসুস্থতার খবর জানতে পেরে তার চিকিৎসার পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেয় আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন। উন্নত চিকিৎসা চালিয়ে যেতে তাকে প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।

আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশনের চিফ কো-অর্ডিনেটর মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা তাকে আর্থিক সহযোগিতা করেছি এবং আশ্বস্ত করেছি যে এবিজি ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান ও আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন তার পাশে রয়েছে। অসহায় মানুষের পাশে আমাদের চেয়ারম্যান যেভাবে হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন, সমাজের সব বিত্তবান মানুষও যেন এ ধরনের মানবিক উদ্যোগে এগিয়ে আসেন—এটাই আমাদের আহ্বান।’

ক্যান্সারের মতো দুরারোগ্য ব্যাধির সঙ্গে লড়াই করা ইয়াসমিন আরার কাছে এই সহায়তা শুধু চিকিৎসার ব্যয় মেটানোর একটি মাধ্যম নয়; বরং এটি নতুন করে স্বপ্ন দেখার এবং জীবনযুদ্ধে এগিয়ে যাওয়ার সাহসও। সুস্থ হয়ে আবারও শ্রেণিকক্ষে ফিরতে চান তিনি। শিক্ষার্থীদের মাঝে জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিয়ে শিক্ষকতার প্রিয় পেশায় আবারও নিজেকে সম্পৃক্ত করার প্রত্যয় নিয়েই এগিয়ে চলেছেন ইয়াসমিন আরা।

SOURCE : সকালের বাণী

Also Published In

Amar Campus জবাবদিহি বাংলা টাইমস অর্থ কাগজ সময়ের কাগজ এইমাত্র কুমিল্লা জার্নাল বাঙলা প্রতিদিন দৈনিক দেশের কণ্ঠ DAILY KHABOR দৈনিক করতোয়া আজকের কুমিল্লা SHOMOYER KHABOR24 ভোরের দর্পণ ON NEWS24 সংবাদ প্রতিদিন Daily Bangladesh Mirror B24 NEWS FINANCIAL BARTA খবর সংযোগ Times Today দৈনিক বাংলাদেশের আলো abnews24bd দৈনিক সত্যকথা প্রতিদিন বাংলাদেশ বুলেটিন abnews24bd Asian post কালের কণ্ঠ পদ্মা টাইমস Banglanews24 সময়ের আলো চ্যানেল আই অগ্রদূত রোজকার খবর দৈনিক জনবাণী ঢাকার কণ্ঠ ডেইলি অবজারভার চ্যানেল 26 বাংলা DAILY NEWS Bangladesh Pratidin বিডি টাইমস দেশ রূপান্তর পজিটিভ নারায়ণগঞ্জ NARAYANGANJ VISION প্রতিদিনের নিউজ আলোকিত কাগজ মিরর বাংলা সংবাদ পরিক্রমা আলোচিত বাংলাদেশ banikbazar24 Sylhetview24 খবর নারায়ণগঞ্জ Daily Sun বাংলা