বর্তমান বিশ্বের ডিজিটাল অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি সেমিকন্ডাক্টর চিপ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই, ফাইভজি যোগাযোগ, বৈদ্যুতিক যানসহ ভবিষ্যতের প্রায় সব উন্নত প্রযুক্তির ভিত্তিতেই রয়েছে এই চিপ।
বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর প্রতিযোগিতার এই সময়ে বাংলাদেশের জন্য নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলে দিতে পারে নদীর বালু। হিমালয় থেকে নেমে আসা ব্রহ্মপুত্র-যমুনা, পদ্মা ও তিস্তা নদীর অববাহিকায় জমা হওয়া বিপুল পরিমাণ কোয়ার্টজসমৃদ্ধ বালু ভবিষ্যতে বাংলাদেশের একটি কৌশলগত সম্পদে পরিণত হতে পারে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো. সোহেল রানা এক পর্যালোচনামূলক গবেষণায় এসব সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেছেন।
গবেষণায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ পলিগঠিত বদ্বীপ। প্রতিবছর হিমালয় থেকে বিপুল পরিমাণ পলি ও বালু দেশের নদী অববাহিকায় এসে জমা হয়। এসব বালুতে কোয়ার্টজের পাশাপাশি ইলমেনাইট, জিরকন ও রুটাইলের মতো মূল্যবান খনিজও রয়েছে। সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের বড় অংশই সিলিকনভিত্তিক। আর উচ্চমানের সিলিকন তৈরির অন্যতম প্রাথমিক কাঁচামাল হলো হাই-পিউরিটি কোয়ার্টজ।
গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশের প্রধান নদীগুলোর বালু কোয়ার্টজসমৃদ্ধ। খনিজ প্রক্রিয়াকরণ পরীক্ষায় রিভার্স ফ্লোটেশন পদ্ধতিতে এসব বালু থেকে ৯৯ দশমিক ৫ শতাংশ বিশুদ্ধ সিলিকা উৎপাদনের সম্ভাবনাও পাওয়া গেছে। তবে এই মান কাঁচ শিল্পের জন্য উপযোগী হলেও সেমিকন্ডাক্টর গ্রেডের সিলিকনের জন্য প্রয়োজনীয় বিশুদ্ধতার তুলনায় এখনও অনেক কম।
চিপ তৈরিতে প্রয়োজন প্রায় ৯৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ বা তারও বেশি মাত্রার বিশুদ্ধতা। সামান্য লোহা, অ্যালুমিনিয়াম, টাইটানিয়ামসহ অন্যান্য অপদ্রব্যও বড় বাধা তৈরি করতে পারে। তাই গবেষকরা বলছেন, সরাসরি চিপ তৈরির কারখানা স্থাপনের আগে বাংলাদেশকে ধাপে ধাপে এগোতে হবে। প্রথমে হাই-পিউরিটি সিলিকা উৎপাদন, আইসি ডিজাইন, গবেষণা অবকাঠামো এবং দক্ষ প্রকৌশলী তৈরিতে গুরুত্ব দিতে হবে।
এ লক্ষ্যে বিশেষায়িত ‘স্যান্ড প্রসেসিং অ্যান্ড রিসার্চ সেন্টার’ স্থাপনের সুপারিশ করা হয়েছে। ২০২৬ থেকে ২০৫০ সাল পর্যন্ত প্রস্তাবিত রোডম্যাপ বাস্তবায়ন করা গেলে ভবিষ্যতে বৈশ্বিক সেমিকন্ডাক্টর বাজারে উপকরণ সরবরাহকারী হিসেবে বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরির সম্ভাবনা রয়েছে।
SOURCE : আমাদের পত্রিকাপ্রয়াত ও অসুস্থ ৪ সাংবাদিককে ২০ লাখ টাকা অনুদান দিল এবিজি ফাউন্ডেশন
ABG Foundation Provides Tk 20 Lakh Financial Assistance to 4 Deceased and Ill Journalists
নদী ভাঙনকবলিত অসহায়দের পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন
Anvir Bashundhara Group Foundation Stands by River Erosion Victims
বাসযোগ্য ঢাকা গড়তে এবিজি ও ডিএনসিসির পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস
DNCC Eyes 'Bashundhara Residential Area' as Model for Building a Liveable Dhaka
Bangladesh Could Become Semiconductor Hub by 2050
নদীর বালু থেকে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের সম্ভাবনা
Anvir Bashundhara Group Foundation Brings Smiles to Orphans’ Faces
এতিম শিশুদের মুখে হাসি ফোটাচ্ছে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশনের মানবিক উদ্যোগ