ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলায় ভারি বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে বন্যার পরিস্থিতি ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। পানি কমতে শুরু করলেও মাত্র কয়েক দিনের মাঝে অনেক পরিবার নদীভাঙনের ফলে তাদের বসতভিটা হারিয়ে ফেলছে। পানি নেমে যাওয়ার পর চোখে ভেসে উঠছে ক্ষয়ক্ষতির ভযাবহ চিত্র। আবার ঘরে খাদ্যসামগ্রী না থাকায় পরিবার নিয়ে অসহায় হয়ে পড়ছে অনেক লোকজন।
বর্তমানে ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের জন্য প্রচুর খাদ্যসামগ্রী প্রয়োজন। ফুলপুর উপজেলায় সরকারি ,বেসরকারি ও বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সহায়তায় খবর পাওয়া গেছে।
শনিবার (১২ অক্টোর) সকালে ফুলপুর পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ২১ জন অসহায় পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করে বসুন্ধরা শুভসংঘ।
খাদ্যসামগ্রীর মাঝে রয়েছে তিন কেজি চাল, আধা কেজি মসুর ডাল, সয়াবিন তেল আধা কেজি, এক কেজি লবণের প্যাকেট।
ছোট পরিসরে এ খাদ্যসামগ্রী পেয়ে অনেক পরিবারই খুশি হয়েছে।
খাদ্যসামগ্রী পেয়ে ঘোমগাঁও গ্রামের খুকী বেগম বলেন, ‘বন্যার জন্য বাড়িতে পানি ছিল। স্বামী ও সন্তান ক্যান্সারের রোগী। অনেক জায়গাই য্যাইয়াও কোনো সাহায্য পাইতাছি না।
চিকিৎসা তো দূরের কথা, দু বেলা ভাতও ঠিকমতো খাইতে পারি না।’ এ সময় তিনি বলেন, ‘আমগ্যার লাইগ্যা যদি কিছু না করা হয় মরা ছাড়া আর কিছুই নেই।’
সাহাপাড়া গ্রামের অঞ্জরী রানি বলেন, ‘বন্যার জন্য আমাদের বড় উৎসবটা আনন্দের সাথে করতে পারলাম না। অর্থের কষ্ট থাকলে উৎসবের আনন্দ নেই।’ দরিদ্র এ গৃহবধূর কাছে বসুন্ধরা শুভসংঘের উপহারে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে।
ভ্যানচালক মিয়া হোসেন বলেন, ‘রাস্তায় পানি থাকায় আয়-রোজগার বন্ধ হইয়্যা গেছে। কী খামু হাতে তো আর ট্যাহা-পয়সা নাই। ছোট ছোট বাচ্চাকে বাঁচাতে হলে খাদ্য ছাড়া উপায় নেই।’ এ সময় বসুন্ধরা শুভসংঘ মানবিকতার কাজ করার প্রশংসা করেন তিনি। বসুন্ধরা শুভসংঘের খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে প্রধান অতিথি ছিলেন ফুলপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ বি এম. আরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘বসুন্ধরা শুভসংঘ একটি বৃহত্তম স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। আমি বসুন্ধরা শুভসংঘের মানবিক কাজের প্রশংসা করছি। যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবেলায় তাদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে দেখা যায়। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তাদের ধন্যবাদ। বন্যায় পরবর্তী সময়ে সরকারের সঙ্গে তাদের আরো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে।’ বসুন্ধরা শুভসংঘের খাদ্যসামগ্রী বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন ফুলপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহেদী হাসান ফারুক, বসুন্ধরা শুভসংঘের উপদেষ্টা কৃষিবিদ কামরুল হাসান, সাংবাদিক মোস্তফা খান, শাহ নাফিউল্লাহ সৈকত, আইএফআইসি ব্যাংকের কর্মকর্তা আল মঈনুল হাসান, বসুন্ধরা শুভসংঘের সভাপতি জিয়াউর রহমান পান্না, সাধারণ সম্পাদক নিশিত সরকার মিঠু, ফাতেমা আক্তার, রাজিয়া সুলতানা বকুল প্রমুখ।
প্রয়াত ও অসুস্থ ৪ সাংবাদিককে ২০ লাখ টাকা অনুদান দিল এবিজি ফাউন্ডেশন
ABG Foundation Provides Tk 20 Lakh Financial Assistance to 4 Deceased and Ill Journalists
নদী ভাঙনকবলিত অসহায়দের পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন
Anvir Bashundhara Group Foundation Stands by River Erosion Victims
বাসযোগ্য ঢাকা গড়তে এবিজি ও ডিএনসিসির পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস
DNCC Eyes 'Bashundhara Residential Area' as Model for Building a Liveable Dhaka
Bangladesh Could Become Semiconductor Hub by 2050
নদীর বালু থেকে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের সম্ভাবনা
Anvir Bashundhara Group Foundation Brings Smiles to Orphans’ Faces
এতিম শিশুদের মুখে হাসি ফোটাচ্ছে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশনের মানবিক উদ্যোগ