খুলনা অঞ্চলে (খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, শরীয়তপুর ও মাদারীপুর) ২০১৫-১৬ অর্থবছরে উৎপাদন, সেবা ও ব্যবসা—এই তিনটি ক্যাটাগরিতে সর্বোচ্চ ভ্যাট প্রদানকারী হিসেবে সম্মাননা ক্রেস্ট পেয়েছে বাগেরহাটের মোংলায় বসুন্ধরা ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্স লিমিটেডসহ ১১টি প্রতিষ্ঠান। বসুন্ধরা ইন্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্স উৎপাদন ক্যাটাগরিতে সম্মাননা লাভ করে।
গতকাল রবিবার দুপুরে খুলনার স্থানীয় একটি হোটেলে খুলনা কাস্টমস, এক্সাইজ অ্যান্ড ভ্যাট কমিশনারেট আয়োজিত জাতীয় ভ্যাট দিবস উপলক্ষে এ ক্রেস্ট প্রদান করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ এমপি।
সম্মাননাপ্রাপ্ত অন্য প্রতিষ্ঠানগুলো হলো উৎপাদনে খুলন শিরোমণির হুগল বিস্কুট কম্পানি, সাতক্ষীরার ইয়াকিন পলিমার লিমিটেড ও মাদারীপুরের টেকেরহাটের মিল্ক ভিটা। সেবায় খুলনার মেসার্স হোটেল ক্যাসল সালাম লিমিটেড, সাতক্ষীরার মোজাফফর গার্ডেন অ্যান্ড রিসোর্ট ও মাদারীপুরের হোটেল সৈকত। ব্যবসায় খুলনার এ এম চ্যানেল লিমিটেড, সাতক্ষীরার আর কে ট্রেডিং, শরীয়তপুরের এজি ট্রেডার্স এবং মাদারীপুরের সিগমা ট্রেডার্স। তা ছাড়া ব্যবসা-বাণিজ্যে সহায়ক ভূমিকা পালন করায় এবারেই প্রথম খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, মাদারীপুর ও শরীয়তপুর চেম্বারকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
কাস্টমস, এক্সাইজ অ্যান্ড ভ্যাট কমিশনার কে এম অহিদুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাম্মদ মিজানুর রহমান, খুলনা বিভাগীয় কমিশনার লোকমান হোসেন মিয়া, মোংলা কাস্টমস হাউসের কমিশনার মারগুর আহমদ, কর আপিলের কর কমিশনার প্রশান্ত কুমার রায়, খুলনা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. হাবিবুর রহমান, কাস্টমস, এক্সাইজ অ্যান্ড ভ্যাটের (আপিল) কমিশনার ড. আবদুল মান্নান শিকদার এবং খুলনা চেম্বারের সভাপতি কাজি আমিনুল হক। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ভ্যাট কমিশনারেটের অতিরিক্ত কমিশনার জুয়েল আহমেদ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি নারায়ণ চন্দ্র চন্দ বলেন, দেশের উন্নয়ন নির্ভর করবে নিজস্ব অর্থায়নের ওপর। রাজস্ব আয় বাড়াতে ভ্যাটের হার বৃদ্ধি নয়, পরিধি বাড়াতে হবে।
রাষ্ট্র ও নাগরিক ওতপ্রোতভাবে জড়িত। দেশের উন্নয়নের স্বার্থেই জনগণকে কর দিতে হবে। সরকারের অন্যতম আয়ের উৎস ভ্যাট ও আয়কর। দেশে পদ্মা সেতুসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়িত হচ্ছে জনগণের টাকায়। বিশ্বে বাংলাদেশ এখন রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত।
SOURCE : কালের কণ্ঠপ্রয়াত ও অসুস্থ ৪ সাংবাদিককে ২০ লাখ টাকা অনুদান দিল এবিজি ফাউন্ডেশন
ABG Foundation Provides Tk 20 Lakh Financial Assistance to 4 Deceased and Ill Journalists
নদী ভাঙনকবলিত অসহায়দের পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন
Anvir Bashundhara Group Foundation Stands by River Erosion Victims
বাসযোগ্য ঢাকা গড়তে এবিজি ও ডিএনসিসির পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস
DNCC Eyes 'Bashundhara Residential Area' as Model for Building a Liveable Dhaka
Bangladesh Could Become Semiconductor Hub by 2050
নদীর বালু থেকে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের সম্ভাবনা
Anvir Bashundhara Group Foundation Brings Smiles to Orphans’ Faces
এতিম শিশুদের মুখে হাসি ফোটাচ্ছে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশনের মানবিক উদ্যোগ