দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান বলেছেন, বাণিজ্যিক রাজধানী বন্দরনগরী চট্টগ্রামের উন্নয়নে বসুন্ধরা গ্রুপ সব সময় পাশে থাকবে। এরই মধ্যে বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষ থেকে কয়েকটি মেগা প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। প্রথম পর্যায়ে দুটি প্রকল্পে বিনিয়োগ হবে ১৬ হাজার কোটি টাকা। কর্মসংস্থান হবে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার মানুষের। পাল্টে যাবে চট্টগ্রাম। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে নগর ভবনে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আ জ ম নাছির উদ্দীনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সায়েম সোবহান এ কথা বলেন। এর আগে সিটি মেয়রের কার্যালয়ে সাক্ষাৎকালে মেয়র নাছির চট্টগ্রামের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার বিভিন্ন তথ্য এবং নিজের উন্নয়ন কর্মপরিকল্পনা বিষয়াদি বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহানের কাছে তুলে ধরেন। বসুন্ধরা গ্রুপও চট্টগ্রাম ও চট্টগ্রামবাসীর উন্নয়নে পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে। এমডি সায়েম সোবহান বলেন, দেশ ও মানুষের লাভ হবে- এমন সব কাজে বসুন্ধরা গ্রুপ সব সময় পাশে থাকবে। সৌজন্য সাক্ষাতের পর সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন সাংবাদিকদের বলেন, বসুন্ধরা গ্রুপের সঙ্গে তার সম্পর্ক অনেক আগে থেকে। বসুন্ধরা দেশের শীর্ষস্থানীয় গ্রুপ, করপোরেট হাউস। দেশের আবাসন থেকে শুরু করে বিভিন্ন খাতে বসুন্ধরা গ্রুপ প্রচুর বিনিয়োগ করছে। এতে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহানের উদ্দেশে চট্টগ্রামের সিটি মেয়র আরও বলেন, এরই মধ্যে বসুন্ধরা গ্রুপ চট্টগ্রামে অনেক মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে। সেগুলো বাস্তবায়নে সিটি করপোরেশনের সহযোগিতা চাইছেন। আমরা চট্টগ্রামের স্বার্থে সেই প্রকল্পগুলোতে বসুন্ধরা গ্রুপকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করব বলে আশ্বস্ত করেছি। সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীনকে ডায়নামিক মেয়র হিসেবে আখ্যায়িত করে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি সায়েম সোবহান বলেন, মেয়র (নাছির) হওয়ার আগে থেকে ব্যক্তিগতভাবে আমাদের সম্পর্ক ছিল। তার সঙ্গে আত্মার সম্পর্ক রয়েছে। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি বলেন, চট্টগ্রামের উত্তরে সীতাকুে বসুন্ধরা দুটি মেগা প্রকল্প হাতে নিয়েছে। সেখানে বৃহৎ পরিসরে অয়েল রিফাইনারি, পেট্রোকেমিক্যাল প্ল্যান্ট এবং বড় টার্মিনাল নির্মাণ করা হবে। আরও প্রকল্প আছে, যা চট্টগ্রামবাসীর জন্য লাভজনক হবে। চট্টগ্রামে বিনিয়োগে প্রতিবন্ধকতা সম্পর্কে জানতে চাইলে বসুন্ধরা গ্রুপের এমডি বলেন, আপাতত প্রতিবন্ধকতা একটিই দেখছি, যানজট। মাস চারেক আগে একটি অনুষ্ঠানে এসেছিলাম। এয়ারপোর্ট থেকে হোটেলে পৌঁছাতে তিন থেকে সাড়ে তিন ঘণ্টা লেগে যায়। অথচ একটা দেশের উন্নয়নে সবার আগে দরকার কমিউনিকেশন। মেয়রকে অনুরোধ করেছি, রাস্তাঘাট ঠিক করেন। তিনি ডায়নামিক মেয়র বলে আমাদের ভরসা আছে। তিনি পারবেন।
প্রয়াত ও অসুস্থ ৪ সাংবাদিককে ২০ লাখ টাকা অনুদান দিল এবিজি ফাউন্ডেশন
ABG Foundation Provides Tk 20 Lakh Financial Assistance to 4 Deceased and Ill Journalists
নদী ভাঙনকবলিত অসহায়দের পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন
Anvir Bashundhara Group Foundation Stands by River Erosion Victims
বাসযোগ্য ঢাকা গড়তে এবিজি ও ডিএনসিসির পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস
DNCC Eyes 'Bashundhara Residential Area' as Model for Building a Liveable Dhaka
Bangladesh Could Become Semiconductor Hub by 2050
নদীর বালু থেকে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের সম্ভাবনা
Anvir Bashundhara Group Foundation Brings Smiles to Orphans’ Faces
এতিম শিশুদের মুখে হাসি ফোটাচ্ছে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশনের মানবিক উদ্যোগ