ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) হাসপাতাল তৈরি প্রায় শেষ। বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম হাসপাতাল বা আইসোলেশন সেন্টারটির জন্য শুরু হয়েছে জনবল নিয়োগপ্রক্রিয়া। অল্প সময়ের মধ্যেই উদ্বোধন করা হবে। এরই মধ্যে সরকারের স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে পরিচালক, উপপরিচালক, নার্সসহ অন্যান্য যাঁদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তাঁরা অস্থায়ী হাসপাতালের পাশে একটি ভবনে দাপ্তরিক কাজ করছেন।
আইসিসিবির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা এম এম জসীম উদ্দিন গতকাল বুধবার হাসপাতালের সব শেষ তথ্য দিতে গিয়ে বলেন, ‘হাসপাতালটি পুরোপুরি প্রস্তুত। সরকার চাইলে যেকোনো সময় এটি ব্যবহার করতে পারবে। আইসিইউ রোগীদের জন্য অক্সিজেন সাপ্লাইয়ের কাজ প্রায় শেষ।’
যদিও সরকারের নিয়োগকৃত হাসপাতালের পরিচালক ডা. এহসানুল হক বলেন, ‘এখন চূড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে।
সরকার থেকে উদ্বোধনের তারিখ নির্ধারণ করার অপেক্ষায় রয়েছি।’
সরেজমিনে গতকাল বুধবার হাসপাতালটি পরিদর্শনে দেখা গেছে, অস্থায়ী হাসপাতালটির সব ধরনের নির্মাণকাজ শেষ। রোগীদের বেডসহ আনুষঙ্গিক প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র বসানো, এসির সংযোগ, বাথরুম, চিকিৎসকদের জন্য আলাদা কক্ষও প্রস্তুত। দাপ্তরিক কাজ চালানোর জন্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকেও আলাদা জায়গা দেওয়া হয়েছে।
আইসিসিবিতে নির্মিত করোনা হাসপাতাল পরিদর্শনে এসে গত সোমবার বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘আজই (৪ মে) চালু হওয়ার কথা ছিল। কেন হচ্ছে না এটা আমি সঠিক বলতে পারব না। এটা সরকারের ওপর নির্ভর করছে। হাসপাতাল পরিচালনার দায়িত্ব আমাদের না। এটা সরকার নিয়েছে।
আমাদের কাজ ছিল ফ্যাসিলিটিজ (নির্মাণ সুবিধা) দেওয়া, আমরা দিয়ে দিয়েছি। এখন সরকার করবে পুরোটা।’
জানা গেছে, হাসপাতালে মোট আইসোলেশন বেড হবে দুই হাজার ১৩টি। ছয় ক্লাস্টারে এক হাজার ৪৮৮টি বেড বসবে। এ ছাড়া তিনটি কনভেনশন হলে থাকবে আরো ৫২৫টি বেড। এর বাইরে ৪ নম্বর হলে হবে ৭১ বেডের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)। এ ছাড়া দেড় হাজার রোগীকে অক্সিজেন দেওয়া যাবে এমন ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসাসেবা দিতে সরকারকে আইসিসিবিতে পাঁচ হাজার শয্যার একটি সম্তিত অস্থায়ী হাসপাতাল প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব দেন দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্মতি দিলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একটি দল পরিদর্শন করে হাসপাতাল স্থাপনের উদ্যোগ নেয়। নানা হিসাব-নিকাশ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে সেখানে দু হাজার ১৩ শয্যার হাসপাতাল ও ৭১ শয্যার আইসিইউ স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। আইসিসিবির সুবিশাল চারটি কনভেনশন হল ও একটি এক্সপো ট্রেড সেন্টারে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ এ হাসপাতালটির নির্মাণকাজ ১২ এপ্রিল থেকে বাস্তবায়ন করছে সরকারের স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।
SOURCE : কালের কণ্ঠপ্রয়াত ও অসুস্থ ৪ সাংবাদিককে ২০ লাখ টাকা অনুদান দিল এবিজি ফাউন্ডেশন
ABG Foundation Provides Tk 20 Lakh Financial Assistance to 4 Deceased and Ill Journalists
নদী ভাঙনকবলিত অসহায়দের পাশে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন
Anvir Bashundhara Group Foundation Stands by River Erosion Victims
বাসযোগ্য ঢাকা গড়তে এবিজি ও ডিএনসিসির পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস
DNCC Eyes 'Bashundhara Residential Area' as Model for Building a Liveable Dhaka
Bangladesh Could Become Semiconductor Hub by 2050
নদীর বালু থেকে সেমিকন্ডাক্টর শিল্পের সম্ভাবনা
Anvir Bashundhara Group Foundation Brings Smiles to Orphans’ Faces
এতিম শিশুদের মুখে হাসি ফোটাচ্ছে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশনের মানবিক উদ্যোগ