All news

বাসযোগ্য ঢাকা গড়তে এবিজি ও ডিএনসিসির পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস

বাসযোগ্য ঢাকা গড়তে এবিজি ও ডিএনসিসির পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এবং দেশের অন্যতম বৃহৎ অর্থনৈতিক অংশীদার আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ (এবিজি) সমন্বিতভাবে কাজ করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছে। একটি আধুনিক, বাসযোগ্য ও সবুজ নগর উপহার দিতে পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর জোর দিয়েছে উভয় পক্ষ।

সোমবার (১৭ আগস্ট) গুলশানে ডিএনসিসির কার্যালয়ে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপের (এবিজি) চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীরের সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে এসব কথা জানান করপোরেশনের প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন।
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, বসুন্ধরা একটি মডেল আবাসিক এলাকা। এবিজি দেশের অন্যতম স্বনামধন্য ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান এবং আমাদের সিটি করপোরেশনের একটি বড় স্টেকহোল্ডার। এবিজির চেয়ারম্যান সায়েম সোবহান আনভীর আমার আমন্ত্রণে এসেছিলেন।

পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আমরা আলোচনা করেছি। নগর উন্নয়নের ক্ষেত্রে সবার সমন্বয় প্রয়োজন। 
শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন বলেন, নগর উন্নয়নের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ কিছু স্টেকহোল্ডার থাকেন। সবার সমন্বয়েই আমরা এই নগরটাকে গড়তে চাই।

নগর গঠনে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন। একটি বড় প্রতিষ্ঠান হিসেবে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ নগর উন্নয়নে আমাদের সহযোগিতা করবে বলে আশ্বস্ত করেছে। সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকেও জনসেবার জন্য যতটুকু সম্ভব সহযোগিতা করা হবে—এমন বিষয়েই আমাদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা হয়েছে।
ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ডিএনসিসি বেশ আগে থেকেই প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে এবং মশার লার্ভা ধ্বংসে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে বলে জানান প্রশাসক। তিনি বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে গঠিত টাস্কফোর্সের মাধ্যমে ১০টি জোনে কঠোর মনিটরিং চালুর পাশাপাশি এডিস মশার বিস্তার রোধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, এডিসের লার্ভা শনাক্তে সরকারি অফিস-আদালতসহ বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা অভিযান চালানো হচ্ছে। লার্ভা পাওয়া গেলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে এবং সতর্কবার্তা দেওয়া হচ্ছে।

বাসাবাড়ির বিষয়ে নগরবাসীর সচেতনতার ওপর জোর দিয়ে ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, কারো ঘরের ভেতর ঢুকে সিটি করপোরেশনের পক্ষে মশা নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব নয়। ফলে নগরবাসীকে নিজ উদ্যোগে তাদের আঙিনা পরিষ্কার রাখতে হবে। আমরা সরকারি দপ্তরসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওপর নজরদারি বাড়িয়েছি।

ডিএনসিসির পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী নিয়মিত ওষুধ প্রয়োগ কর্মসূচি চলমান রয়েছে উল্লেখ করে প্রশাসক আরো বলেন, অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় বর্তমানে মশা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। বৃষ্টি-বাদল শেষ হওয়া মাত্রই সম্ভাব্য সব হটস্পট চিহ্নিত করে মশা দমনে বিশেষ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

SOURCE : কালের কণ্ঠ